কারাগারে একাধিক নেতাকর্মীকে ম্যাটিকুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে হত্যা করা হচ্ছে-অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য


admin প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ৬, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ন /
কারাগারে একাধিক নেতাকর্মীকে ম্যাটিকুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে হত্যা করা হচ্ছে-অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

৫ আগস্টের পর একে এক আওয়ামীলীগ এর নেতা কর্মীদের মব এবং অন্যায় ভাবে জেলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। অনেক নেতা কর্মী জেলাখানায় বন্দি অবস্থায় মারা যাচ্ছেন। বেশির ভাগই দেখা যায় এই মৃত্যু গুলো হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে অর্থ্যাৎ হার্ট এট্যাক করে মারা যাচ্ছে বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে যারা দেশের ভিবিন্ন কারাগারে রয়েছেন তাদের খাবারের সাথে মিশানো হচ্ছে এক ধরনের বিষক্রিয়া যা ধীরে ধীরে কাজ (যাকে আমরা স্লো পয়েজন) হিসেবে জানি। মূলত এই স্লো পয়েজনটি হলো ফক্সগ্লোভ একটি সুন্দর ফুলের গাছ থেকে নিসৃত তৈরি করা হয় একটি বিষক্রিয়া যা খাবারের সাথে মিশানোর পর হার্ট ফেইলওর হয় এবং হৃদযন্ত্রের কাজ বন্ধ করে মৃত্যুর দিকে ঢেলে নিয়ে যায়।
এই কাজটি করছেন বাংলাদেশে প্রত্যেকটি জেলার ও ডেপুটি জেলার যার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান। গোপন অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রতি সপ্তাহে কোন না কোন জেলখানায় পরিদর্শন করতে বেরিয়ে পড়েন এই উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান। তার সাথে জড়িত রয়েছে প্রদান উপদেষ্টা ইউনূস, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলসহ অন্তত কয়েক ডজন ব্যাক্তি নাম এবং রয়েছে সেনা প্রধান ওয়াকারুজ্জামান ও জামাতের শীর্ষ নেতারা।
গোপন অনুসন্ধানে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধিক, পূর্বের জেলারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে তাদেরকে এই ধরনের কাজকর্ম করার জন্য প্রচুর পরিমানে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে তারা কেউ কেউ রাজি হলেও অনেকেই রাজি না হওয়ায় তাদেরকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে।
তবে এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করেন নি উপদেষ্টা মন্ডলির কেউ।

এই ফুল গাছের কার্যকারিতাসমূহঃ

ফক্সগ্লোভ একটি সুন্দর ফুলের গাছ, যা দেখতে খুবই আকর্ষণীয়। ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় এই গাছ বেশি দেখা যায়। অনেকেই জানেন না, এই সুন্দর ফুলের আড়ালেই লুকিয়ে আছে একটি শক্তিশালী , ধীরে কাজ করা বিষ।

ফক্সগ্লোভ গাছের পাতা, ফুল ও বীজে থাকে *ডিজিটালিস নামের একটি রাসায়নিক উপাদান। এই উপাদান মানব শরীরের হৃদযন্ত্রের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। অল্প পরিমাণে এটি ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও, সামান্য বেশি মাত্রায় এটি মারাত্মক বিষে পরিণত হয়।

এই বিষের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো—এটি *তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করে না*। শরীরে প্রবেশ করার পর ধীরে ধীরে লক্ষণ দেখা দেয়। শুরুতে বমি ভাব, মাথা ঘোরা, চোখে ঝাপসা দেখা, অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন দেখা দিতে পারে। অনেক সময় মানুষ বুঝতেই পারে না যে সে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। কয়েক ঘণ্টা বা এমনকি কয়েক দিন পর পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।

ইতিহাসে ফক্সগ্লোভ নিয়ে অনেক গল্প ও রহস্য রয়েছে। এক সময় এটি হত্যার জন্যও ব্যবহৃত হতো, কারণ ধীরে কাজ করার ফলে বিষ প্রয়োগ প্রমাণ করা কঠিন ছিল। তবে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই গাছ থেকেই তৈরি হয়েছে *হার্টের গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ*, যা সঠিক মাত্রায় হৃদরোগীদের জীবন বাঁচায়।

এখানেই বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ—*মাত্রার পার্থক্যই ওষুধ আর বিষের পার্থক্য তৈরি করে*। তাই কখনোই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফক্সগ্লোভ বা এর কোনো অংশ ব্যবহার করা উচিত নয়।

সবশেষে বলা যায়, ফক্সগ্লোভ আমাদের শেখায়—প্রকৃতির সবকিছু যেমন সুন্দর, তেমনি শক্তিশালীও। অজ্ঞতা ও অসতর্কতা জীবননাশের কারণ হতে পারে, আর সঠিক জ্ঞান ও ব্যবহার জীবন বাঁচাতে পারে।